আজকের_বিষয়ঃ 

* মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর ,
*
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রাম,
*
বীরশ্রষ্ঠের নাম পদবী এবং
*
স্মৃতিসৌধ ৭টি স্তম্ভ তৈরি করার কারণ:
----------------------------------------------------------------------
=>
১। মুক্তিযুদ্ধের রনাঙ্গণের ১১ টি সেক্টর, সেক্টর কমান্ডার এবং১১টি সেক্টরের হেডকোয়ার্টার এবং সাব-সেক্টরের নামেরতালিকা
------সেক্টর নং- (এক)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর জিয়াউর রহমান(এপ্রিল-জুন)
2.
মেজর রফিকুল ইসলাম(জুন-ডিসেম্বর)
--
এলাকা: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং ফেনীনদী পর্যন্ত।
--
হেড কোয়ার্টার: হরিনা।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 5 টি(ঋষিমুখ, শ্রীনগর, মনুঘাট, তবলছড়ি এবং ডিমাগিরী)
.
------
সেক্টর নং- 2 (দুই)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর )
2.
মেজর হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
--
এলাকা: নোয়াখালী, কুমিল্লা, আখাউড়া, ভৈরব এবংঢাকা ফরিদুর জেলার অংশ বিশেষ।
--
হেড কোয়ার্টার: মেলাঘর, ত্রিপুরা, ভারত।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 6 টি(গঙ্গাসাগর,আখাউড়া কসবা, মন্দবাগ, সালদানদী, মালিগর,নির্ভয়পুর এবংরাজনগর)
.
------
সেক্টর নং- 3 (তিন)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর)
2.
মেজর নুরুজ্জামান (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
--
এলাকা: আখাউড়া ভৈরবরেললাইন থেকে পূর্বদিকে কুমিল্লা জেলা, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ঢাকা জেলার অংশবিশেষ।
--
হেড কোয়ার্টার: হেজামারাতে
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 10 টি(আশ্রমবাড়ি, বাঘাইবাড়ি, হাতকাটা, সিমলা, পঞ্চবটি, মনতলা, বিজয়নগর, কালাছড়া, কলকলিয়া এবং বামুটিয়া)
.
------
সেক্টর নং- 4 (চার)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর সি আরদত্ত।
--
এলাকা: সিলেট জেলারপূর্বাঞ্চল, খোয়াই, শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন থেকে পূর্ব উত্তর দিকে সিলেটডাইউকি সড়ক।
--
হেড কোয়ার্টার: (প্রথমে) করিমগঞ্জ (পরে) নাসিমপুর।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 6 টি(জালালপুর, বড়পুঞ্জী আমলাসিদ, কুকিতলা, কৈলাস শহরএবং কমলাপুর)

.
------
সেক্টর নং- 5 (পাঁচ)
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর মীর শওকতআলী।
--
এলাকা: সিলেট জেলারপশ্চিম এলাকা এবংসিলেট ডাইউকি সড়কথেকে সুনামগঞ্জ এবংবৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল।
--
হেড কোয়ার্টার: বাঁশতলা।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 6 টি(মুক্তাপুর, ডাউকি, শেলা, ভোলাগঞ্জ বালাট এবংবড়ছরা)
.
------
সেক্টর নং- 6 (ছয়)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
উইং কমান্ডার বাশার
--
এলাকা: ব্রহ্মপুত্র নদেরতীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর জেলা ঠাকুরগাঁও
--
হেড কোয়ার্টার: বুড়িমাড়ি (পাটগ্রামের নিকট)
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 5 টি(উজানপুর,পাটগ্রাম, সাহেবগঞ্জ, মোগলহাট এবং চিলাহাটি)।।।
------সেক্টর নং- 7 (সাত)
সেক্টর কমান্ডার:
১। মেজর নাজমুল হক।
এবং পরে . মেজরকাজী নুরুজ্জামান
--
এলাকা: সমগ্র রাজশাহী, ঠাকুরগাঁও ছাড়া দিনাজপুরের অবশিষ্ট অংশ এবংব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্রপাবনা বগুড়া জেলা
--
হেড কোয়ার্টার: বালুরঘাট, পশ্চিমবঙ্গ, ইন্ডিয়া।
--
সাব-সেক্টর : সাব-সেক্টর 8 (আট) টি (মালন,তপান, মেহেদীপুর, হামজাপুর, আংশিনাবাদ,ভোলাহাট, ঠোকরাবাড়ি এবংলালগোলা)
.------সেক্টর নং- 8 (আট)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর আপু ওসমানচৌধুরী (অক্টোবর পর্যন্ত)
2.
মেজর মেজর এম. মঞ্জুর (আগস্ট-ডিসেম্বর)
--
এলাকা: সমগ্র কুষ্টিয়া যশোর জেলা,ফরিদপুরের অংশবিশেষ এবং দৌলতপুর শাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলার এলাকা
--
হেড কোয়ার্টার: বেনাপোল (হেড কোয়ার্টারের একটাবিরাট অংশ ছিলভারতের কল্যাণী শহরে)
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 7 টি(বয়রা, হাকিমপুর, ভোমরা, লালবাজার, বানপুর, বেনাপোল এবং শিকারপুর)
.------সেক্টর নং- 9 (নয়)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর আবদুল জলিল(এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত)
2.
এম. মঞ্জুর (অতিরিক্ত দ্বায়িত্ব)
--
এলাকা: সাতক্ষীরার দৌলতপুর সড়কসহ খুলনা জেলারসমগ্র দক্ষিনাঞ্চল এবংবৃহত্তর বরিশাল পটুয়াখালী জেলা
--
হেড কোয়ার্টা: হাসনাবাদ, বাগেরহাট।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 3 টি(টাকি,হিঙ্গলগঞ্জ শমসের নগর)
.
------
সেক্টর নং- 10 (দশ)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত নৌ-কমান্ডারগণ।
--
এরিয়া: অভ্যন্তরীণ নৌপথ সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল চট্রগ্রাম চালনা।
বি:দ্রঃ নৌ- কমান্ডো বাহিনী নিয়েএই সেক্টর গঠিতহয়। এই সেক্টরে নিয়মিত কনো সেক্টর
কমান্ডার ছিলোনা। কোনোহেড কোয়ার্টার এবংসাব হেড -সেক্টর ছিল না।
.
-----
সেক্টর নং- 11 (এগারো)
--
সেক্টর কমান্ডার:
1.
মেজর আবু তাহের(এপ্রিল-নভেম্বর পর্যন্ত)
2.
ফ্লাইট লেঃ এম. হামিদুল্লাহ (3 নভেম্বর থেকেডিসেম্বর পর্যন্ত)
--
এলাকা: কিশোরগঞ্জ ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহঅঞ্চল
--
হেড কোয়ার্টা: মহেন্দ্রগঞ্জ।
--
সাব-সেক্টর: সাব-সেক্টর 8 (আট) টি (মানকারচর, মহেন্দ্রগঞ্জ, পুরাখাসয়া, তালু, শিববাড়ী,
বাগমারা এবং মহেশখালী)
গেরিলা সংগঠনসমূহের তালিকা
কর্নেল ওসমানী তিনটিব্রিগেড আকারের ফোর্সগঠন করেছিলেন যেগুলোর নামকরণ করা হয়তাদের অধিনায়কদের নামেরঅদ্যাংশ দিয়ে ( এসফোর্স,কে ফোর্স,জেড ফোর্স)
'
কে' ফোর্সের অধিনায়ক= মেজর খালেদ মোশাররফ। ৪র্থ, ৯ম এবং১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত।
৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট - কমান্ডিং অফিসার -
৯ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট - কমান্ডিং অফিসার -
১০ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট - কমান্ডিং অফিসার -
'
এস' ফোর্সের অধিনায়ক= মেজর কে এমসফিউল্লাহ। ১৯৭১ এরঅক্টোবর মাসে ২য়এবং ১১ম ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়েগঠিত।
২য় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট - কমান্ডিং অফিসার -
১১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট - কমান্ডিং অফিসার -
'
জেড' ফোর্সের অধিনায়ক= মেজর জিয়াউর রহমান। ১ম, ৩য় এবং৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত।
বাংলাদেশের_স্বাধীনতা_সংগ্রামেরঃ
--- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সর্বাধিনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৭১ সালের ২৫শেমার্চ রাত ১২টার পর অর্থাৎ ২৬ শে মার্চবঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা দেন।
--- চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা এম.হান্নান চট্টগ্রাম বেতারহতে ২৬শে মার্চ, ১৯৭১ প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণা প্রচার করেন।২৭ শে মার্চ, ১৯৭১ সালে তদানীন্তন মেজর এবং পরবর্তীতে সেনাবাহিনীর প্রধান এবংসাবেক সেনাশাসক: জিয়াউর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু শেখমুজিবের পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
--- ১৯শে মার্চ, ১৯৭১ সালে গাজীপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগঠিত হয়।
---
বাংলাদেশের পতাকা প্রথমউত্তোলন করা হয়২রা মার্চ। ..আব্দুর রব প্রথমএটি উত্তোলন করেন।
--- স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১ টিসেক্টরে ভাগ করাহয়। তাজউদ্দীন আহমেদএর নির্দেশে এম..জিওসমানী দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগকরেন। এর মধ্যে১০ নং সেক্টরটি ছিলো সবচাইতে বেতিক্রম। সেক্টরে নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলোনা।
--- মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার দেয় টি বিভাগে। (বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীরবিক্রম, বীর প্রতীক) এর মধ্যে জনকে বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জনকেবীর উত্তম, ১৭৫জনকে বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জনকেবীর প্রতিক উপাধিদেওয়া হয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্যমোট ৬৭৬ জনকেরাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়।
--- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য মহিলামুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবিএবং সেতারা বেগমকে বীর প্রতিক খেতাবে ভূষিত করা হয়।তারামন বিবি ১১নং সেক্টর (ময়মনসিংহ এবং টাঙ্গাইল) এবংসেতারা বেগম 4 নংসেক্টরে (সিলেট) যুদ্ধকরেন।
--- ১৯৭১ সালেব্রিগেড আকারে টি ফোর্স গঠিতহয়েছিল। যথা : (1) জেড ফোর্স-মেজর জিয়াউর রহমান। (2) এস ফোর্স-মেজর শফিউল্লাহ। (3) কে ফোর্স-মেজরখালেদ মোশাররফ।
--- মুক্তিযুদ্ধের সময়েবাংলাদেশের অভ্যন্তর থেকেমুক্তিযুদ্ধ করেন, টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী, বরিশালের হেমায়েত বাহিনী, কমরেডতোহা সিরাজসিকদার।
--- বাংলদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছিলো প্রায় ৩০ লক্ষেরও বেশি।
--- ১৯৭১ সালেঢাকায় কর্মরত ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিংযিনি বহির্বিশ্বে সর্বপ্রথম বাংলাদেশে পাকিস্তানি বর্বরতার খবর প্রকাশ করেন।
--- ১৯৭১ সালেসাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাকদখলদার বাহিনীর হত্যাযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন এবংবিদেশি মাধ্যমে প্রচার করেন।
--- ১৯৭১ সালের২৫শে মার্চ কালোরাত্রিতে, নিরিহ বাঙালী জনগোষ্ঠীর উপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেসামরিক আগ্রাসন হত্যাযজ্ঞ চালায় তাঁকেবলা হয় থাকেঅপারেশন সার্চলাইট। ১৯৭১সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়েপাকিস্তানি নৌ-শক্তিকে ধংস করার জন্যপরিচালিত হয় অপারেশন জ্যাকপট।
--- একমাত্র বিদেশী খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যাকেবীর প্রতিক খেতাবে ভূষিত করা হয়তিনি হচ্ছেন হোয়াইল হেমার। এই মহানমুক্তিযোদ্ধা অস্ট্রেলিয়ায় নাগরিক (জন্ম নেদারল্যান্ড)১৮ই মে, ২০০১সালে তিনি মৃত্যুবরন করেন।
--- ঠাএপ্রিল ১৯৭১ সালেমুক্তিযুদ্ধের সময়ে নিহতহন ইতালীয় নাগরিক মাদার মারিও ভেরেনজি।
--- স্বাধীনতা যুদ্ধে অর্থ সংগ্রহের জন্যকবিতা পাঠের আয়োজনকরেন রাশিয়ার (ইয়োভেগেনি ইয়েভ তুসোস্কোর) এবংআমেরিকার (এলেন গিনেসবার্গ) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে দুইজনশিল্পী (1) জর্জ হ্যারিসন (Britain) এবং(2) শংকর (INDIA) Concert for Bangladesh এর আয়োজনকরেন।
--- জাতিসংঘের দুটিশক্তিশালী দেশ যথা: যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনমুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের বিরোধীতা করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘের শক্তিশালী তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলদেশেকে সহযোগিতা করেন।

--- মুক্তিযুদ্ধের সময়েবাংলাদেশী যুবকদের নিয়েমুজিব বাহিনী (বি.এল.এফ) গঠিত হয়। ঢাকাসেনানিবাসস্থ মুক্তিযোদ্ধা জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।
--- মুক্তিযুদ্ধের সময়েপ্রথম শত্রুমুক্ত হয়যশোর জেলা। ৭ইডিসেম্বর, ১৯৭১। বাংলাদেশের সর্ব কনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে তাঁর বয়সছিলো ১২ বছর।মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যতাঁকে বীর প্রতিক খেতাব প্রদান করাহয়। ১১ নংসেক্টরে (ময়মনসিংহ এবংটাঙ্গাইল) তিনি যুদ্ধকরেন।
--- ইয়াহিয়া খাঁন১৯৭১ সালে ঘোষণাদেন " দেশেরমাটি চাই, মানুষনয়"
--- মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণের দলিলস্বাক্ষরিত হয় রেসকোর্স ময়দানে। বাংলাদেশের পক্ষেবাংলাদেশ-ভারত যৌথকমান্ডের প্রধান জেনারেল জগৎ সিং অরোরা পাকিস্তানের পক্ষেজেনারেল .কেনিয়াজি ঐতিহাসিক দলিলেস্বাক্ষর করেন।
--- ৯৩ হাজারপাকিস্তানি সৈন্য যৌথ. বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন ১৯৭১ সালে।১৬ই ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে বামুক্তিবাহিনীর পক্ষে নেতৃত্ব দেন তৎকালীন বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ারকমোডর .কেখন্দকার।
--- ফরাসি সাহিত্যিক আদ্রে মায়ারা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করেন।মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যসাহিত্যিক আবদুস সাত্তার বীর প্রতিক খেতাবপান।
--- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে "স্বাধীন বাংলাবেতার কেন্দ্র" স্থাপিত হয়চট্টগ্রামের কালুরঘাটে ২৬শে মার্চ, ১৯৭১সালে।
--- মহান মুক্তিযুদ্ধে তিনটিসাংগঠনিক শ্রেণী ছিলো।যথা : (1) নিয়মিত বাহিনী (2) সেক্টর বাহিনী (3) গেরিলা বাহিনী।
--- মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট প্রতিষ্টা করেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
--- ১৪ই ডিসেম্বর, ১৯৭১ বিজয়ের ঠিকআগ মূহুর্তে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের উপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।পরবর্তীতে এই দিনটিকে বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
--- মুক্তিযুদ্ধের সময়েডাঃ সেতারা বেগমসেনাবাহিনীতে ক্যাপ্টেন পদেনিযুক্ত ছিলেন।
--- ২৬ শেমার্চকে "জাতীয় দিবসবা স্বাধীনতা দিবস" হিসেবে ঘোষণা করাহয় ১৯৮০ সালে।
---
বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন ১২ই জানুয়ারি, ১৯৭২সালে।
--- ঢাকার সেগুনবাগিচায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর অবস্থিত।
--- ১৯৭১ সালের১০ই ডিসেম্বর বাংলদেশ থেকে বিদেশিদের সরিয়েনিতে বিমান হামলাবন্ধ রাখা হয়।
--- নিহত মুক্তিযোদ্ধাদের সন্মানে জাতীয় "শোক দিবস" পালিত হয় ১৯৭২সালের ১৪ই জানুয়ারী।
---
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পরসকল প্রকার অবৈধঅস্ত্র উদ্ধারের জন্যঅপারেশন ক্লোজডোর পরিচালনা করা হয়।
--- বাংলাদেশে আটকেপড়া পাকিস্তানি সৈন্যছিলো লাখ৩৮ হাজার।



Post a Comment

Previous Post Next Post