যেসব প্রজাতির পাখি মানুষের তত্ত্বাবধানে লালনপালন হয়, বংশবিস্তার করে এবং যাদের অর্থনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে তাদের পোল্ট্রি বলে। যেমন– হাঁস, মুরগি, কোয়েল, কবুতর, রাজহাঁস ইত্যাদি। পোল্ট্রির মাধ্যমে ডিম ও মাংস পাওয়া যায়।

পোল্ট্রির গুরুত্ব
  • খাদ্য ও পুষ্টির উৎস।
  • মাংসের চাহিদা পূরণ।
  • পোল্ট্রি হতে ডিম উৎপাদন।
  • খাঁচায় বা বাড়ির আঙ্গিনায় স্বল্প পরিসরে লালন পালন।
  • আত্মকর্মসংস্থান ও দারিদ্র্য বিমোচন।
  • পোল্ট্রির বিষ্ঠা জৈব সার হিসাবে ব্যবহার।
  • হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা বায়োগ্যাস তৈরিতে ব্যবহার।
  • হাঁস-মুরগির পালক দ্বারা পাখা ও গাড়ির পরিষ্কারক তৈরি। নরম পালকের সাহায্যে বালিশ, কুশন, তোষক ইত্যাদি তৈরি।
  • হাঁস-মুরগির নাড়িভুঁড়ি, চামড়া, পালক, ডিমের খোসা প্রক্রিয়াজাত করে পোল্ট্রির খাদ্য তৈরি।
  • নাড়িভুঁড়ি মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহার।
  • পোল্ট্রিকে শিল্প হিসাবে ঘোষণা।
  • বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বড় আকারের খামার করে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ।

Post a Comment

Previous Post Next Post