লিভার হলো একটি সরল যন্ত্র, যাতে একটি শক্ত দণ্ড কোনো অবলম্বনের কোনো কিছুর ওপর ভর করে মুক্তভাবে ওঠানামা করে বা ঘোরে।
লিভারের শ্রেণিবিন্যাস
ফালক্রাম, বল ও ভারের অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে লিভারকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। যথা–
- প্রথম শ্রেণির লিভার,
- দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার ও
- তৃতীয় শ্রেণির লিভার।
প্রথম শ্রেণির লিভার : যে লিভারে ফালক্রাম, বল ও ভারের মাঝে থাকে তাকে প্রথম শ্রেণির লিভার বলে। যেমন, কাঁচি, নিক্তি।
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার : দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারে ফালক্রাম এবং বল থাকে দুই প্রান্তে, ভার থাকে মাঝে। যেমন, যাঁতি।
তৃতীয় শ্রেণির লিভার : তৃতীয় শ্রেণির লিভারে বল থাকে ফালক্রাম এবং ভারের মাঝে। যেমন, চিমটা।
দ্বিতীয় শ্রেণির লিভার : দ্বিতীয় শ্রেণির লিভারে ফালক্রাম এবং বল থাকে দুই প্রান্তে, ভার থাকে মাঝে। যেমন, যাঁতি।
তৃতীয় শ্রেণির লিভার : তৃতীয় শ্রেণির লিভারে বল থাকে ফালক্রাম এবং ভারের মাঝে। যেমন, চিমটা।
লিভারের নীতিমালা
লিভারের নীতিমালা নিম্নরূপ–
বল × বলবাহুর দৈর্ঘ্য = ভার × ভারবাহুর দৈর্ঘ্য
এখানে বল যে বিন্দুতে প্রযুক্ত হয় তা থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো বলবাহুর দৈর্ঘ্য। অনুরূপভাবে ভার থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো ভারবাহু। তাহলে উপরের নীতিমালা থেকে নিম্নোক্তভাবে বোঝা যায়।
অর্থাৎ ভার/বল = বলবাহুর দৈর্ঘ্য/ভারবাহুর দৈর্ঘ্য
লিভারের নীতিমালা নিম্নরূপ–
বল × বলবাহুর দৈর্ঘ্য = ভার × ভারবাহুর দৈর্ঘ্য
এখানে বল যে বিন্দুতে প্রযুক্ত হয় তা থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো বলবাহুর দৈর্ঘ্য। অনুরূপভাবে ভার থেকে ফালক্রাম পর্যন্ত দূরত্ব হলো ভারবাহু। তাহলে উপরের নীতিমালা থেকে নিম্নোক্তভাবে বোঝা যায়।
অর্থাৎ ভার/বল = বলবাহুর দৈর্ঘ্য/ভারবাহুর দৈর্ঘ্য
Post a Comment