১৯৬০ সালে এর আবিষ্কারের পর থেকে আইসি চিপসের ডিজাইনে বিপ্লব ঘটতে থাকে।
বর্তমানে একটি একক আইসি চিপ লক্ষ লক্ষ উপাংশ ধারণ করতে পারে যা বহু জটিল ডিভাইস বা যন্ত্র চালাতে ব্যবহৃত হয়।
ক্যাপাসিটর কত প্রকার ও কি কি?
ক্যাপাসিটর প্রধানত তিন প্রকার। যথা–
ক. ফিক্সড ক্যাপাসিটর;
খ. অ্যাডজাস্টেবল ক্যাপাসিটর;
গ. ভেরিয়েবল ক্যাপাসিটর;
ডাই-ইলেকট্রিক প্রকৃতি অনুসারে ফিক্সড ক্যাপাসিটর বিভিন্ন প্রকারের হয়। যেমন–
১. এয়ার ক্যাপাসিটর
২. সাইকা ক্যাপাসিটর
৩. প্লাস্টিক ফিল্ম ক্যাপাসিটর
৪. পলিকার্বনেট ক্যাপাসিটর
৫. সিরামিক ক্যাপাসিটর
৬. ইলেকট্রোলাইটিক
৭. নন-ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর।
ক. ফিক্সড ক্যাপাসিটর;
খ. অ্যাডজাস্টেবল ক্যাপাসিটর;
গ. ভেরিয়েবল ক্যাপাসিটর;
ডাই-ইলেকট্রিক প্রকৃতি অনুসারে ফিক্সড ক্যাপাসিটর বিভিন্ন প্রকারের হয়। যেমন–
১. এয়ার ক্যাপাসিটর
২. সাইকা ক্যাপাসিটর
৩. প্লাস্টিক ফিল্ম ক্যাপাসিটর
৪. পলিকার্বনেট ক্যাপাসিটর
৫. সিরামিক ক্যাপাসিটর
৬. ইলেকট্রোলাইটিক
৭. নন-ইলেকট্রোলাইটিক ক্যাপাসিটর।
Post a Comment