সি (C) হচ্ছে মধ্য পর্যায়ের হাই-লেবেল ল্যাংগুয়েজ। এটি অন্যান্য হাই-লেবেল ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী ভাষা। এ ভাষা ব্যবহার করে সব ধরনের প্রোগ্রাম রচনা করা যায় বলে বর্তমানে এ ভাষা বহুভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ ভাষাতে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম এবং প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার লেখা হয়।
সি প্রােগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্য
প্রােগ্রামিং ভাষা হিসেবে সি এর গুরুত্ব অনেক। নিচে সি এর কিছু বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হল–
১. এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রােগ্রামিং ভাষা।
২. C ভাষা একটি স্ট্রাকচারড প্রােগ্রামিং ভাষা।
৩. প্রতিটি C প্রােগ্রামিংয়ে একটি main ( ) ফাংশন (Function) থাকে।
৪. প্রতিটি প্রােগ্রামিং স্টেটমেন্ট শেষ হয় সেমিকোলন দ্বারা।
৫. প্রতিটি চলক ব্যবহারের পূর্বেই তাদের ডাটা টাইপ উল্লেখ থাকে।
৬. Header ফাইলগুলাে #include দ্বারা যুক্ত করা হয়।
৭. সি ভাষায় অনেক লাইব্রেরী ফাংশন, কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ইত্যাদির সুবিধা আছে।
সি-ভাষার ব্যবহার
বর্তমানে প্রচলিত কম্পাইলার ও অপারেটিং সিস্টেমগুলোর শতকরা ৯০ ভাগেরও বেশি সি ভাষায় রচিত। সি ভাষায় অ্যাসেম্বলি এবং উচ্চতর ভাষার প্রোগামিং কৌশলের সমন্বয় সাধন করা যায় বলে এটি মধ্যস্তরের ভাষা হিসেবে পরিচিত। সি ভাষায় সহজেই অত্যন্ত জটিল সমস্যা সমাধান করা যায়। সি ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে। এ ভাষার সাহায্যে যে ধরনের প্রোগ্রাম লেখা যায় তাহলো–
১. অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২. ল্যাংগুয়েজ কম্পাইলার (Language Compiler)
৩. ল্যাংগুয়েজ ইন্টারপ্রিটার (Language Interpreter)
৪. অ্যাসেম্বলার (Assembler)
৫. ডেটাবেজ প্রোগ্রাম (Database Programme)
৬. টেক্সট এডিটর (Text Editor)
৭. কম্পিউটার গেমস (Computer Games)
৮. কম্পিউটার ভাইরাস ও এন্টিভাইরাস (Computer Virus and Anti-Virus)
৯. ইউটিলিটিজ (Utilities)
১০. নেটওয়ার্ক ড্রাইভারস (Network Drivers)
সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষা কি? সি প্রােগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্য ও ব্যবহার।
Rifat Hasan Rabbi
0
Comments
Tags
প্রোগ্রামিং

Post a Comment