চিকন লম্বা তার দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইঁদুরের মতো ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ, যা দিয়ে কম্পিউটারে ইনপুট দেয়া হয়, তাকে মাউস বলে। এটিও একটি জনপ্রিয় বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস। এটি ইনস্টল করা থাকলে হাতে নাড়াচাড়া করলে মনিটরের পর্দায় একটি তীরচিহ্ন নড়াচড়া করতে দেখা যায়। মাউস নেড়ে ইচ্ছেমতো তীরটিকে দ্রুত স্থানান্তর করে নিয়ে মাউসের বাম বোতাম চেপে অর্থাৎ ক্লিক করে কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ প্রদান করা হয়। এছাড়াও মাউসের সাহায্যে পর্দায় লিখিত বিষয়, গ্রাফ, ছবি ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণসহ আরো নানা প্রকার কাজ করা যায়।


কী-বোর্ড ও মাউসের মধ্যে পার্থক্য কি? (What are the advantages of Keyboard and Mouse?)

কী-বোর্ড ও মাউসের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরূপ–

কী-বোর্ড

  • কী-বোর্ডের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংসহ যাবতীয় নির্দেশ কম্পিউটারে প্রদান করা যায়।
  • কী-বোর্ডের সাহায্যে গ্রাফিক ড্রইং করা কষ্টকর।
  • কার্সর কী চেপে মনিটরের পর্দায় কাজের স্থান নির্ধারণ করা হয়।
  • কী-বোর্ডে সর্বোচ্চ ১০৪ টি বোতাম বা কি থাকে।
  • কী-বোর্ডের সাহায্যে শতকরা ৯৫ ভাগেরও বেশি তথ্য ও নির্দেশ প্রদানের কাজ সম্পাদন করা যায়।
  • কী-বোর্ড ছাড়া কম্পিউটার পরিচালনা করা অসম্ভব।

মাউস

  • মাউসের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায় না।
  • মাউসের সাহায্যে অতি অল্প সময়ের মধ্যে গ্রাফিক ড্রয়িং করা যায়।
  • মাউসের নিচে ছোট মার্বেল অথবা Ray প্যাডের ওপর ঘুরিয়ে কাজের স্থান নির্ধারণ করা হয়।
  • মাউসে সাধারণত ৩টি বোতাম বা বাটন থাকে।
  • গ্রাফিক ড্রয়িং ও নির্দেশ প্রদান ছাড়া মাউসের দ্বারা কোন কাজ করা যায় না।
  • মাউস ছাড়া কম্পিউটার পরিচালনা করা যায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post