বৈদ্যুতিক লোডসমূহকে সাপ্লাইয়ের সাথে সঠিক পদ্ধতিতে এবং বৈদ্যুতিক বিধি মোতাবেক সংযোগ করাকে বৈদ্যুতিকরণ বা ওয়্যারিং বলে। ওয়্যারিং প্রধানত দুই প্রকার। যথা– ১. বাহ্যিক ওয়্যারিং এবং ২. অভ্যন্তরীণ ওয়্যারিং।


বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনা সংঘটনের কারণগুলো হলো–

১. বৈদ্যুতিক আইন অমান্য করলে,

২. নিয়ন্ত্রণকারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করলে,

৩. ত্রুটিপূর্ণ মালামাল ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলে,

৪. কাজে অমনোযোগী হলে,

৫. বিষয়বস্তুর উপর চির বিশ্বাস না থাকলে,

৬. ভয়ভীতি ও নার্ভাসনেস এর কারণে,

৭. অজ্ঞতা ও বুদ্ধিহীনতার কারণে,

৮. অতিরিক্ত সাহসিকতা দেখাতে গিয়ে,

৯. বৈদ্যুতিক মেশিন, যন্ত্রপাতি কিংবা চলমান অ্যাপ্লায়েন্সকে যথাযথভাবে আর্থিং না করে নিলে।

১০. সাপ্লাই কিংবা ইলেকট্রোস্ট্যাটিক চার্জ আছে কিনা, সে ব্যাপারে নিজে নিশ্চিত না হয়ে বৈদ্যুতিক লাইন স্পর্শ করলে।

১১. বৈদ্যুতিক মেশিন বা লাইনে কেউ কাজ করছে কিনা, সে ব্যাপারে নিশ্চিত না হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিলে।

১২. সরবরাহ লাইন, নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, রক্ষণ যন্ত্র প্রভৃতি যন্ত্রপাতি আকারে, শক্তিতে ও যান্ত্রিক বলে পর্যাপ্ত না হলে।

১৩. তারের ইনসুলেশন খারাপ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

Post a Comment

Previous Post Next Post