সন্ধির যে নিয়মগুলো প্রচলিত আছে, সেগুলোকে না মেনে অর্থাৎ সন্ধির প্রচলিত সূত্রগুলোকে অস্বীকার করে যে সন্ধি সংঘটিত হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলা হয়।
এ সন্ধিগুলোকে ভুল বলা যায় না বা এ সন্ধির দ্বারা সাধিত পদগুলোকেও অশুদ্ধ বলা যায় না। এ সন্ধিগুলো সিদ্ধ; অর্থাৎ ব্যাকরণে স্বীকৃত এবং পদগুলোও শুদ্ধ।
নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি : স্বরসন্ধির নিয়ম না মেনে যে সন্ধি হয় তাকে, নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি বলে। যেমন– গো + অক্ষ = গবাক্ষ, সীমা [সীমন্] + অন্ত = সীমন্ত, প্র + ঊঢ় = পৌঢ়, অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী, মনস্ + ঈষা = মনীষা ইত্যাদি।
নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি : ব্যঞ্জনসন্ধির প্রচলিত নিয়মগুলো না মেনে যে ব্যঞ্জনসন্ধি সংঘটিত হয়, তাকে নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধি বলে। যেমন– তৎ + কর তস্কর, হরি + চন্দ্র, আ + চর্য = আচর্য, বৃহৎ + পতি = বৃহস্পতি, বন + পতি = বনস্পতি, গো + পদ = গোষ্পদ, ষট্ + দশ = ষোড়শ, এক + দশ = একাদশ, অষ্ট + দশ = অষ্টাদশ ইত্যাদি।
আরো পড়ুনঃ–
১। স্বরসন্ধি কাকে বলে? স্বরসন্ধির উদাহরণ।
Post a Comment