মানুষের চাহিদা পূরণ করতে প্রাকৃতিক সম্পদ যথাযথভাবে ব্যবহৃত হবে, তবে নিঃশেষ হয়ে যাবে না বা ক্ষতি হবে না– এমন একটি অবস্থাকে ‘টেকসই উন্নয়ন’ বলে।
টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট কতটি?
টেকসই উন্নয়নের অভীষ্ট ১৭টি। এগুলো হলো– ১. দারিদ্র্য বিলোপ, ২. ক্ষুধামুক্তি, ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ, ৪. গুণগত শিক্ষা, ৫. জেন্ডার সমতা, ৬. নিরাপদ পানি ও পয়নিষ্কাশন, ৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানী, ৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, ৯. শিল্প উদ্ভাবন ও অবকাঠামো, ১০. অসমতা হ্রাস, ১১. টেকসই নগর ও জনপদ, ১২. পরিমিত ভোগ ও টেকসই উৎপাদন, ১৩. জলবায়ু কার্যক্রম, ১৪. জলজ জীবন, ১৫. স্থলজ জীবন, ১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান, ১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব।
বাংলাদেশ টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে কী কী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে?
বাংলাদেশ এমডিজিতে সাফল্য অর্জনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বাস্তবায়নে বেশকিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
সরকার খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তার পাশাপাশি মাতৃ এবং শিশু মৃত্যুহার হ্রাস করার দিকে লক্ষ রাখছে। এর পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ হ্রাসকরণ ও নবায়নযোগ্য সাশ্রয়ী জ্বালানির ব্যবহারের মাধ্যমে দূষণমুক্ত প্রাকৃতিক পরিবেশ নিশ্চিত করছে। এছাড়া পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অন্তর্ভুক্তি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালীকরণ ও অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি করেছে। এসব কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে।
Post a Comment