খেজুর
খেজুর

খাদ্যশক্তি থাকায় দুর্বলতা দূর হয় 

খেজুর স্নায়ুবিক শক্তি বৃদ্ধি করে 

রোজায় অনেকক্ষন খালি পেটে থাকা হয় বলে দেহের প্রচুর গ্লুকোজের দরকার হয় 

খেজুরে অনেক গ্লুকোজ থাকায় এ ঘাটতি পূরণ হয় 

হৃদরোগীদের জন্যও খেজুর বেশ উপকারী 

খেজুরের প্রচুর খাদ্য উপাদান রয়েছে 

খেজুর রক্ত উৎপাদনকারী 

হজমশক্তি বর্ধক, যকৃৎ ও পাকস্থলীর শক্তিবর্ধক 

রুচি বাড়ায় 

ত্বক ভালো রাখে 

দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করে 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় 

খেজুরের আঁশ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে 

পক্ষঘাত এবং সব ধরনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অবশকারী রোগের জন্য উপকারী 

ফুসফুসের সুরক্ষার পাশাপাশি মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধ করে 

অন্তঃসত্ত্বা নারীর সন্তান জন্মের সময় খেজুর খেলে জরায়ুর মাংসপেশির দ্রুত সংকোচন-প্রসারণ ঘটিয়ে, প্রসব হতে সাহায্য করে 

এছাড়াও এ ফল প্রসব-পরবর্তী কোষ্ঠকাঠিন্য ও রক্তক্ষরণ কমিয়ে দেয়। 

যে কোনো ফলের চেয়ে খেজুরের পুষ্টিগুণ বেশি। সারা বছর পরিবারের সবার জন্য প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় আমরা এই ফলটিকে রাখতে পারি। 

Post a Comment

Previous Post Next Post