গল্পঃ না বলা ভালোবাসা



পর্বঃ ৭
Collected...
অর্থাৎ এমন সময় নিহালের আগমন সাথে নিহালের বউ ও....
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে যে মেয়েটি নিহালের বউ, সেই মেয়েটি হচ্ছে তানজিল আর সারিকার ক্লাসমেট.....
যার নাম সুরাইয়া....
মেয়েটি ছিল বদ্য অহংকারী....
যার কারনে তানজিল বার বার অপমানিত হয়েছে.....
আর সেই জন্যই তানজিল আর সারিকাকে এখানে দেখা মাত্রই সুরাইয়া স্তব্দ হয়ে যায়....
আর অন্য দিকে তানজিল আর সুস্মিতাকে এক সাথে দেখা মাত্রই নিহাল নিজে ও হতস্তব্দ হয়ে যায়.....
সুরাইয়াঃ সারিকা কেমন আছিস.....??
সারিকাঃ ভালো, তুই কেমন আছিস...??
সুরাইয়াঃ ভালো....
আর, সারিকা এই হচ্ছে আমার হাজবেন্ড নিহাল, তুই পরিচিত হয়ে নে.....
সারিকা আর নিহাল পরিচিত হলো কিন্তু তানজিলের সাথে নিহালকে পরিচয় করাতে লজ্জাবোধ করছে সুরাইয়া.....
যদি ও তারা একই ব্যাচ এবং একই ক্লাসমেট.....
এমন সময় সারিকা বললো....
সারিকাঃ নিহাল ভাইয়া এই হচ্ছে তানজিল....
আমি, সুরাইয়া, তানজিল এক সাথেই পড়াশোনা করতাম....
আর এই হচ্ছে সুস্মিতা আমার বান্ধবী....
ঠিক তখনই তানজিল মেডিকেলে পড়া-শোনা করে কথাটি শুনামাত্রই নিহালের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো.....
কারন, তানজিলকে সারা জীবন নিহাল ক্ষেত ছোট লোক বলেই অপমানিত করে এসেছে....
তার পরেও নিহাল এমন ভাব ধরলো, যেন সে তানজিল এবং সুস্মিতা কাউকেই চিনে না.....
এভাবেই সবাই পরিচিত হলো....
সারিকাঃ ভাইয়া এখানেই আপনি আর সুরাইয়া বসে পড়েন, এক সাথে সবাই গল্প করবো....
এমন সময় অহংকারী সুরাইয়া বলে উঠলো....
সুরাইয়াঃ সারিকা তুই ভালো করেই জানিস কোন ছোট লোকদের পাশে আমি বসি না....
আর আমার হাজবেন্ড এতো বড় কোম্পানীতে জব করে আর তাকে কিনা একটা ছোট লোকের সাথে বসে খেতে বলছিস, এটা তোর কাছ থেকে কখনো আশা করি নি.....
সারিকাঃ সরি সুরাইয়া আমি বুঝতে পারি নি....
এমন সময় আবার নিহাল বলে উঠলো....
নিহালঃ সারিকা এই সব গরিব ছোট লোকদের সাথে চলে নিজের Weight না কমালেই ভালো, তুমি ও চাইলে আমাদের সাথে আসতে পারো....
এমন সময় সুস্মিতা বলে উঠলো....
সুস্মিতাঃ হ্যালো মি: কথা ঠিক করে বলেন....
কারন যারা মানুষকে মানুষ মনে করে না প্রকৃতপক্ষে ছোট লোক তো তাদেরকেই বলা চলে.....
আর যার বৈশিষ্ট্য আপনাদের মতো মানুষদের মধ্যে বিদ্যমান.....
আর কেউ জানুক বা না জানুক আপনি ভালো করেই জানেন কে আমি....??
কি আমার পরিচয়.....
তাই কথা ঠিক করে বলেন....
নিহালঃ হ্যালো মিস সুস্মিতা আমি আপনাকে কিছুই বলি নি, যে ছোট লোক আমি তাকেই বলেছি.....
সুস্মিতাঃ আপনি তানজিলকে ছোট লোক বলার কে.....??
সুরাইয়াঃ ছোট লোককে ছোট লোক বলবে নাতো কি বলবে, মহা রাজা বলবে নাকি.....
যত্রসব ছোট লোকের বাচ্চা....
সুস্মিতাঃ হ্যালো আপ্পি কথা বলার ভারসাম্য নিয়ন্ত্রিত রাখেন.....
ছোট লোক এই তানজিলরা আছে বলেই আপনার আর নিহালের মতো ধনীদের এতো কদর, তা না হলে এই সব বলার সাহস কখনো পেতেন না.....
সুরাইয়াঃ ছোট লোকের বাচ্চা তো আপনাকে বলে নি আপনার জ্বলে কেন...??
এমন সময় নিহাল বলে উঠলো....
নিহালঃ সুরাইয়া তোমাকে তো একটা কথা বলতে ভুলে গিয়েছি....
সুস্মিতা আর তানজিলের মধ্যে অবৈধ সম্পর্ক ছিল.....
যার জন্য তানজিলকে কিছু বললেই সুস্মিতার শরীর জ্বলে.....
সুস্মিতা: ঐ রাসক্যাল মুখের ভাষা ঠিক করে কথা বল, নতুবা তোর মুখ সেলাই করে দিবো....
সারিকাঃ প্লিজ সুস্মিতা তোরা চুপ কর, মানুষ কি বলবে.....
সুরাইয়াঃ সারিকা তুই কি এই সব ছোট লোকদের সাথে থাকবি, যাদের জন্মের ঠিকানাটা ও নেই.....
সুস্মিতাঃ আপনার জন্মের ঠিকানা থাকলেই চলে, অন্যদের ব্যাপারে অতিরিক্ত কথা না বলে চুপচাপ এখান থেকে চলে যান, যদি ভালো চান.....
সুরাইয়াঃ এই যে মামা এই সব বেজন্মা ছোট লোকদের রেস্টুরেন্টের ভিতরে ঢুকতে দেন কেন....???
কথাটি শুনামাত্রইতানজিল বলে উঠলো....
তানজিলঃ হ্যালো মিস সুরাইয়া, ধনীর দুলালি.....
আমাকে অনেক অপমান করেছেন ছোট লোক বলে, এমন কি আপনার বড় লোক হাজবেন্ড নিহালও.....
তার পরে ও কখনো প্রতিবাদ করি নি....
কিন্তু, আজকে যখন আমার জন্ম নিয়ে কথা বলেছেন এবং সুস্মিতার চোখের পানি ঝড়াতে ও দ্বিধাবোধ করেন নি.....
তাই আপনাদের মতো নর্দমার কীটদের বলছি....
এখনো সময় আছে ভালো হয়ে যান নতুবা দাড়ানোর মতো পায়ের নিচে মাটিটা ও থাকবে না.....
এমন সময় রেস্টুরেন্টের মালিক বলতে লাগলো.....
আপনারা কি শুরু করলেন....??
আপনারা তো আমার রেস্টুরেন্টের ১২টা বাজিয়ে দিবেন.....
আপনারা যার যার সিটে গিয়ে বসেন.....
এমন সময় সুস্মিতা রেস্টুরেন্ট থেকে কান্না করতে করতে বের হয়ে গেল.....
তাই সারিকা বাধ্য হয়ে সুস্মিতার সাথে চলে গেল....
তাই ধনী-গরিবের বৈষম্যের কারনে তানজিল এবং সুস্মিতার মধ্যে আজো না বলা ভালোবাসার পরিসমাপ্তি হলো না.....
অতঃপর তানজিল যখনি রেস্টুরেন্ট থেকে বের হয়ে, বাসার উদ্দেশ্যে রওনা হলো ঠিক তখনি তানজিলের সামনে হঠাৎ তার আম্মু....
অর্থাৎ জ্যামে গাড়ির মধ্যে বসে আছে.....
তানজিলের আম্মু গাড়ির গ্লাসটা খোলা মাত্রই দৃষ্টি পড়লো সরাসরি তানজিলের উপর.....
তানজিলের আম্মু ১২ বছর পর ছেলেকে দেখতে পেয়ে গাড়ি থেকে নেমে সোজা একটা চিৎকার দিয়ে তানজিলকে বুকে জড়িয়ে নিলো.....
তানজিল ও অনেক বছর পর মাকে বুকে নিতে পেরে আনন্দে চোখের পানি গুলো ফেলছে....
চারপাশের মানুষ সিনেমার শুটিং এর মতো এই দৃশ্য উপভোগ করতে লাগলো.....
তারপর তানজিল তার মায়ের সাথে পুরানো রাজ-প্রসাদে চলে গেল.....
দীর্ঘ ১২ বছর পর তানজিলকে কাছে পেয়ে পুরানো রাজ-প্রসাদ নতুন রূপে রুপান্তরিত হলো......
তারপর তানজিল তার জীবনে ঘটে যাওয়া সব কিছুই খুলে বললো....
তানজিলের আব্বু তানজিলকে বুকে জড়িয়ে অনেক আদর করতে লাগলো.....
আর ছেলেকে ডাক্তার হিসাবে পেয়ে গর্বে তার বুক ভরে গেল.....
তারপরে সুস্মিতার ঘটনা ও খুলে বললো.....
তানজিলের আব্বুঃ তানজিল সুস্মিতার আব্বুর নাম্বারটা দে......
তানজিলঃ এই যে নেন +৯৫*******৭৭
তানজিলের আব্বুঃ হ্যাঁলো ভাই সাহেব আমি তানজিলের আব্বু বলছি, এমন কোম্পানীর মালিক.....
সুস্মিতার আব্বুঃ কেমন আছেন ভাই....??
তানজিলের আব্বুঃ আলহামদুলিল্লাহ, আপনি কেমন আছেন এবং আমার মামণি সুস্মিতা কেমন আছে.....??
সুস্মিতার আব্বুঃ আলহামদুলিল্লাহ ভালো.....
তানজিলের আব্বুঃ ভাই সাহেব আমি সুস্মিতাকে আমার বৌ-মা করতে চাই, যদি আপনার কোন সমস্যা না থাকে.....
সুস্মিতার আব্বুঃ আমার মেয়ে আপনার ছেলের বউ হবে এটা তো আমার সৌভাগ্য.....
তানজিলের আব্বুঃ তাহলে সামনের সোমবারে সুস্মিতার সাথে তানজিলের বিয়ে, এতে আপনার কোন প্রবলেম আছে....??
সুস্মিতার আব্বুঃ এটাতো খুশির কথা, এই ভাবেই কথাবার্তা শেষ করে বিয়ে ঠিক হয়ে যায়....
বিয়ের বাকি ৬ দিন আর সুস্মিতা বিয়ের কথাটি শুনামাত্রই সারিকাকে ফোন দিল....
সুস্মিতাঃ সারিকা এবার বুঝি আমার "না বলা ভালোবাসা"
না বলাই থেকে গেলো.....
সারিকাঃ কি করবি বল বাস্তবতাকে মেনে নিতেই হবে, তারপরে ও আমি দেখি তানজিলের সাথে কথা বলে, তানজিল কি বলে....
এই ভাবেই সুস্মিতা আর সারিকার মধ্যে কথাবার্তা শেষ হয়.....
সারিকা সুস্মিতার সাথে কথাবার্তা শেষ করে তানজিলকে ফোন দিল.....
সারিকাঃ তানজিল সুস্মিতার তো বিয়ে হয়ে যাচ্ছে কিছু একটা করো.....
তানজিলঃ আমি কিছুই করতে পারবো না, সুস্মিতার যার সাথে বিয়ে হচ্ছে সুস্মিতা নিজেই অনেক খুশি হবে....
কারন, সুস্মিতা তখন নিহাল এবং সুরাইয়ার মতো কীট-প্রতঙ্গদের উচ্চ সুরে বলতে পারবে, সে কোন ছোট লোক কর্মচারির বউ না, সে হচ্ছে নিহালের মতো ছোট লোকেরা যে প্রতিষ্ঠানের কর্মচারি, সে প্রতিষ্ঠানের মালিকের বউ.....
সারিকাঃ এই সবের মানে কি তানজিল....???
তানজিলঃ সারিকা আজকে তোমার কাছে আমি কিছুই লুকাবো না, তুমি অনেক বার আমার ফ্যামিলির কথা জানতে চেয়েছো....
কিন্তু আমি এড়িয়ে চলতাম....
তুমি আমার পরিচয় শুনলে হতস্তব্দ হয়ে যাবে এটা আমি জানি.....
তারপরে ও আজকে তোমাকে না বলে থাকতে পারলাম না.....
এই শহরের সবচেয়ে বড় কোম্পানীতে সুরাইয়ার হাজবেন্ড চাকুরি করে এটা নিশ্চয়ই তুমি জানো....
সারিকা:হ্যাঁ, তাতে কি হয়েছে....??
তানজিলঃ আমি হলাম সেই কোম্পানীর মালিকের ছেলে....
সারিকাঃ মানে....??
তানজিলঃ নিহাল আমার কোম্পানীর একজন কর্মচারি...
আর চাকুরিটা আমি নিহালকে দিয়ে ছিলাম যা নিহাল আজো জানে না....
কিন্তু নিহাল যে এতো বড় মিরজাফর আগে জানতাম না....
আমি চাইলে সেই দিন সব কথার উচিত শিক্ষা দিতে পারতাম.....
কিন্তু দেয় নি কেনো জানো....??
নিহালের চোখের সামনে আমি সুস্মিতাকে বিয়ে করবো আর নিহাল এবং সুরাইয়াকে এমন শিক্ষা দিবো যা আজো অব্দি যেন মনে থাকে.....
আর তুমি হয়তো জানো না, সুস্মিতার বিয়েটা প্রথম নিহালের সাথেই ঠিক হয়ে ছিল....
আমি সুস্মিতার আব্বুর কাছে আমার সত্যিকার পরিচয় দেই, তারপরে সব কিছুই খুলে বলি
আর এতে সুস্মিতার বিয়েটা ভেঙ্গে যায়......
আর এখন যার সাথে সুস্মিতার বিয়ে হবে সেই ছেলেটি আর কেউ নয়, সেই হচ্ছে এই তানজিল....
আমি সুস্মিতাকে সারপ্রাইজ দেয়ার জন্যই সব কিছু গোপন রেখেছি....
আর আশা করি তুমি ও সব কিছু গোপন রাখবে....
সারিকা: তুমি নিশ্চিত থাকো....
কিন্তু, আজকে আমি একটা বিষয় বুঝতে পারলাম.....
সত্যিকারের ভালোবাসা কখনো বৃথায় যায় না....
হয়তো অনেক প্রবলেম ফেইস করতে হয়, কিন্তু তাদের বিজয় সব সময়.....
দোয়া রইলো নতুন জীবনে সুখে থাকো.....
এই ভাবেই কথাবার্তা শেষ করে সারিকা ফোনটি রেখে দিল....
অতঃপর ধুমধাম ভাবে সুস্মিতা এবং তানজিলের বিয়েটা সম্পূর্ণ হয়ে গেল.....
যদি ও সুস্মিতা রাজি ছিল না....
কারন, সুস্মিতা জানতো না তানজিলের সাথে বিয়ে....
তারপর বাসর রাতে যখন তানজিল দরজা বন্ধ করে রোমে ঢুকলো, তখন সুস্মিতা মাথা নিচু করে বড় করে ঘোমটা দিয়ে খাটের এক পাশে বসে কান্না করছে....
তানজিল এই দৃশ্য দেখে মুচকি হাসতে লাগলো....
তারপর তানজিল মুখের মধ্যে নোমাল দিয়ে বলতে লাগলো...(যাতে কন্ঠ না বুঝে)
তানজিলঃ আপনি কান্না করছেন কেনো....??
সুস্মিতাঃ দয়া করে আপনি আমার কাছে আসবেন না, আর আপনি আমাকে স্পর্শ না করলে খুশি হবো.....
তানজিলঃ বিয়ে তো করেছি স্পর্শ করার জন্য, স্পর্শ করবো না কেন....??
সুস্মিতাঃ আমার এই শরীর স্পর্শ করার অধিকার শুধু একজনেরই ছিল....
কিন্তু না বলা ভালোবাসা আমাকে সেই অধিকার থেকে বন্চিত করেছে....
তাই আমার এই শরীর স্পর্শ করার দায়িত্ব আমি আর কাউকে দিতে চাই না....
অতঃপর তানজিল মুখ থেকে নোমালটা সরিয়ে বলতে লাগলো.....
তানজিলঃ এতোই যেহেতু ভালোবাসেন তাহলে ভালোবাসি কথাটি বলতে পারেন নি কেন....??
যাই হোক এখন ভালোবাসি কথাটি বলে, না বলা ভালোবাসার অভিশাপ থেকে এখন নিজেকে মুক্ত করো....
সুস্মিতা কথাটি শুনামাত্রই ঘোমটা সরিয়ে মাথা উঁচু করে তাকিয়ে দেখে তানজিল.....
সুস্মিতাঃ তানজিল তুমি.....
তানজিলঃ আমি থাকবো নাতো কে থাকবে হুম.....
সুস্মিতাঃ ঐ সয়তান তুই আমাকে এতোক্ষণ কান্না করালি কেন...??
আর কেনোই বা এতো কষ্ট দিলি....??
তানজিলঃ জামাইকে কেউ তুই বলে নাকি...??
ছি তুমি একটা পঁচা বউ....
সুস্মিতাঃ তোকে তুই তুই তুই ১০০ বার বলবো, ভালোবাসি কথাটি এখন বলবি কি না বল....??
নতুবা তোকে এখন গলাটিপে খুন করবো.....
এটা বলেই সুস্মিতা তানজিলের গলাচেপে ধরলো.....
তানজিলঃ এই কি করছো, মরে যাচ্ছি তো…..
সুস্মিতাঃ ভালোবাসি কথাটি যতক্ষণ না বলছিস ততোক্ষণ তোর রক্ষা নেই....
তানজিলঃ বলার সুযোগটা তো দিবা নাকি....??
সুস্মিতাঃ ছেড়ে দিলাম, এখন বল....?
তানজিলঃ আগে জামাইকে সম্মান দিয়ে কথা বলো...
সুস্মিতাঃ তুই বলবি নাকি আবার গলাচেপে ধরবো....
তানজিলঃ ঐ না না না এই সব করো না.....
এমন সময় হঠাৎ করেই অর্থাৎ সুস্মিতা কিছু বুঝার আগেই তানজিল সুস্মিতাকে কোলে নিয়ে দরজা খুলে ছাদে চলে গেল....
জোসনাময় রাতে সুন্দর মনোরম পরিবেশে, সুস্মিতা এবং তানজিল একে অপরের চোখের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো.....
ঠিক তখনি তানজিল বলতে লাগলো....
ভালোবাসি ভালোবাসি আমি আমার সুস্মিতাকে আমার জীবন থেকে ও বেশি ভালোবাসি....
যে ভালোবাসার সাক্ষী হয়ে থাকলো...
রাতের আকাশ-বাতাস এবং সুন্দর জোসনাময় রাতের এই সুন্দর দৃশ্য.....
আর এভাবেই না বলা ভালোবাসার পরিসমাপ্তি ঘটে.....
তারপর নতুন জীবনে তানজিল যখন সুস্মিতাকে নিয়ে নিজের কোম্পানীতে গেল....
ঠিক তখনি নিহাল বুঝতে বাকি রইলো না, তানজিল আর কেউ নয় এই কোম্পানীর মালিক.....
অবশেষে নিহালকে দুর্নীতির দায়ে সকলের সামনে জুতা পিটা করে পুলিশের হাতে তুলে দিল....
যার কারণে সুরাইয়া নিহাল কে ডিবোর্স ও দিয়ে দিলো আর নিহালের সব কিছুই আদালতের নিয়ম মাফিক জব্দ করা হলো.....
তারপর আগের নিহাল আগের অবস্হায় চলে গেল....
……সমাপ্ত……

Post a Comment

Previous Post Next Post