মাদ্দঃ কুরআন মাজীদের কোনো কোনো হরফ টেনে পড়তে হয়। এই টেনে পড়াকে মাদ্দ বলে। মাদ্দের হরফ ৩টি : و ، ا ، ى তবে শর্ত হলো :

  1. ওয়াও و সাকিন( ْ ) হতে হবে ও আগের হরফে (ডানে) পেশ( ُ ) হতে হবে।
  1. আলিফ ا হরকতবিহীন আগের হরফে জবর ( َ ) হতে হবে।
  1. ইয়া ى সাকিন( ْ ) হতে হবে ও আগের হরফে (ডানে) জের( ِ ) হতে হবে।

উদাহরন : نُوْ حِيْ هَا

ইযহারঃ ইযহার শব্দের অর্থ প্রকাশ করা। নূন সাকিন এবং তানবীন এর পর যদি হরফে হালকির যেকোনো একটি হরফ থাকে তখন নূন সাকিন বা তানবীনকে গুন্নাহ ও ইখফা ছাড়া নিজ মাখরাজ অনুসারে স্পষ্ট করে পড়াকে ইযহার বলে।

তাজবিদঃ আল-কুরআনের প্রতিটি হরফকে মাখরাজ ও সিফাত অনুসারে বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করাকে তাজবিদ বলে।


মাখরাজ বলতে কী বোঝায়?

মাখরাজ শব্দের অর্থ বের হওয়ার স্থান, উচ্চারণের স্থান। আরবি হরফসমূহ মুখের যে স্থান থেকে উচ্চারিত হয় সে স্থানকে মাখরাজ বলা হয়। আরবি হরফ (বর্ণ) মোট ২৯টি। এগুলো মুখের মোট ১৭টি স্থান থেকে উচ্চারিত হয়। এ ১৭ টি স্থানকে বলা হয় মাখরাজ। মাখরাজ মোট ১৭টি।

১৭টি মাখরাজ আবার মুখের ৫টি স্থানে অবস্থিত। যথা- (১) কণ্ঠনালি বা হলক, (২) জিহ্বা, (৩  উভয় ঠোট, (৪) নাসিকামূল এবং (৫) মুখের খালি জায়গা বা জাওফ।

Post a Comment

Previous Post Next Post