বহিঃকঙ্কাল হলো কঙ্কালতন্ত্রের প্রধান দুটি ভাগের একটি। কঙ্কালের যে অংশগুলো জীব দেহের বাইরে অবস্থান করে তাকে বলা হয় বহিঃকঙ্কাল। এদের মধ্যে রয়েছে নখ, চুল, লোম ইত্যাদি। কোনো কোনো প্রাণিগোষ্ঠীতে বহিঃকঙ্কাল দেখা যায়। যেমন- আরশোলা, ঘাসফড়িং, চিংড়ি, কাঁকড়া ইত্যাদি।


তরুণাস্থি বলতে কী বোঝায়?

অপেক্ষাকৃত নরম ও স্থিতিস্থাপক কন্ড্রিনযুক্ত যোজক কলার রূপান্তরিত রূপই হলো তরুণাস্থি। এটি যোজক কলার ভিন্নরূপ। এর কোষগুলো একক বা জোড়ায় জোড়ায় খুব ঘনভাবে স্থিতিস্থাপক মাতৃকাতে বিস্তৃত থাকে। তরুণাস্থি কোষগুলো থেকে কন্ড্রিন নামক এক প্রকার রক্ত, ঈষদচ্ছ রাসায়নিক বস্তু নিঃসৃত হয়। মাতৃকা কন্ড্রিন দ্বারা গঠিত। এর বর্ণ হালকা নীল। জীবিত অবস্থায় তরুণাস্থি কোষের প্রোটোপ্লাজম খুব স্বচ্ছ থাকে, নিউক্লিয়াসটি গোলাকার, কন্ড্রিনের মাঝে গহ্বর দেখা দেয়। এগুলোকে ক্যাপসুল বা ল্যাকিউনি বলে। এর ভিতর কন্ড্রিওব্লাস্ট বা কন্ড্রিওসাইট থাকে। সব তরুণাস্থি একটি তন্তুময় যোজক কলা নির্মিত আবরণী দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, একে পেরিকন্ড্রিয়াম বলে। আবরণটি দেখতে চকচকে সাদা। এজন্যই তরুণাস্থি সাদা, নীলাভ ও চকচকে হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post