রক্ত সংবহনতন্ত্র কাকে বলে?
উত্তরঃ যে তন্ত্রের মাধ্যমে রক্ত প্রতিনিয়ত দেহের বিভিন্ন অঙ্গ এবং অংশে চলাচল করে তাকে রক্ত সংবহনতন্ত্র বলে। এ তন্ত্রে প্রবাহিত রক্তের মাধ্যমে খাদ্য, অক্সিজেন এবং বর্জ্য পদার্থ দেহের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবাহিত হয়।

কোন পদার্থ খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে?

উত্তরঃ মুখ ও পরিপাকতন্ত্রে অবস্থিত বিভিন্ন গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত লালা ও মিউসিন খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে।


হৃদপিণ্ড যে পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত তার নাম লেখো।

উত্তরঃ হৃদপিণ্ড যে পাতলা পর্দা দ্বারা আবৃত তার নাম পেরিকার্ডিয়াম।


রক্তরস কী?

উত্তরঃ রক্তের তরল অংশই হলো রক্তরস।


জেজুনাম কাকে বলে?

উত্তরঃ মানুষের পরিপাক গ্রন্থির ডিওডেনাম ও ইলিয়ামের মাঝে অবস্থিত অংশকে জেজুনাম বলে।


অন্ননালি কাকে বলে?

উত্তরঃ গলবিল ও পাকস্থলির মাঝামাঝি জায়গায় অবস্থিত অংশ, যার ভেতর দিয়ে খাদ্যবস্তু গলবিল থেকে পাকস্থলিতে যায় তাকেই অন্ননালি বলে।


অন্ননালির কাজ কী?

উত্তরঃ অন্ননালির কাজ খাদ্য ও পানীয় পাকস্থলিতে পৌছানো।


বিভিন্ন প্রকার দাঁতের নাম লেখো।

উত্তরঃ মানুষের দাঁত মোট চার প্রকার। যথা: i. কর্তন দাত; ii. ছেদন দাঁত; iii. অগ্রপেষণ দাঁত; iv. পেষণ দাঁত।


লালা বলতে কী বোঝ?

উত্তরঃ লালা এক প্রকার বর্ণহীন তরল পদার্থ, যা মুখের পেছনে অবস্থিত লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।

খাদ্য পরিপাকে লালার বিশেষ ভূমিকা আছে। লালা খাদ্যবস্তুকে পিচ্ছিল করে ও গিলতে সহায়তা করে। লালায় এক ধরনের এনজাইম বা অনুঘটক থাকে, যা শ্বেতসারকে মলটোজে পরিণত করে।


ডিওডেনামের ২টি কাজ লেখো।

উত্তরঃ ডিওডেনামের ২টি কাজ নিম্নরূপঃ

i. ডিওডেনামে পিত্তথলি থেকে পিওরস এবং অগ্ন্যাশয় থেকে অগ্ন্যাশয় রস নালির মাধ্যমে এসে জমা হয়, যা পরে পরিপাকে অংশ নেয়।

ii. এতে আমিষ, শর্করা ও স্নেহ পদার্থের পরিপাক ঘটে।


শ্বেত রক্তকণিকাকে সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয় কেন?

উত্তরঃ মানবদেহে কোনো রোগজীবাণু প্রবেশ করলে শ্বেত রক্তকণিকা সেগুলোকে ধ্বংস করে। দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে শ্বেত রক্তকণিকা প্রহরীর মতো কাজ করে। এজন্যই শ্বেত রক্তকণিকাকে সৈনিকের সাথে তুলনা করা হয়।


এনজাইম কীভাবে কাজ করে?

উত্তরঃ এনজাইম খাদ্যবস্তুর সাথে মিশে রাসায়নিক ক্রিয়ায় সাহায্য করে। নির্দিষ্ট তাপমাত্রা পর্যন্ত এটি ভালো কাজ করে। এটি সরাসরি কোন বিক্রিয়ায় অংশ নেয় না এবং বিক্রিয়া শেষে অপরিবর্তিত থাকে। নির্দিষ্ট বিক্রিয়ার উপর এনজাইমের কাজ নির্দিষ্ট।


ধমনি ও শিরার মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।

উত্তরঃ ধমনি ও শিরার মধ্যে দুটি পার্থক্য হলো-

ধমনি

  • হৃৎপিণ্ড থেকে ধমনি উৎপত্তি লাভ করে।
  • ধমনি দ্বারা হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের দিকে রক্ত প্রবাহিত হয়।

শিরা

  • কৈশিক জালিকা থেকে শিরা উৎপত্তি লাভ করে।
  • শিরা দ্বারা দেহ থেকে হৃৎপিণ্ডের দিকে রক্ত প্রবাহিত হয়।

Post a Comment

Previous Post Next Post