মানুষের ঊর্ধ্বাঙ্গ ও নিম্নাঙ্গের অস্থিগুলোকে একত্রে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল বলে। একজোড়া অগ্রপদ, একজোড়া পশ্চাৎপদ, একজোড়া বক্ষ অস্থিচক্র এবং একজোড়া শ্রেণিচক্র নিয়ে উপাঙ্গীয় কঙ্কাল গঠিত হয়।


হাড়ের কাজগুলো কী কী? বর্ণনা করো।

হাড়ের কাজগুলো নিচে বর্ণনা করা হলোঃ

  • এটি মানবদেহকে একটি নির্দিষ্ট আকার দান করে।
  • এটি নিচের অঙ্গগুলোর সাথে উপরের অঙ্গগুলোর সংযুক্তি সাধন করে।
  • দেহগহ্বরে মস্তিষ্ক, হৃৎপিন্ড, ফুসফুস, যকৃত অঙ্গসমূহকে রক্ষণাবেক্ষণ করে।
  • অস্থিমজ্জা থেকে লোহিত রক্তকণিকা উৎপন্ন করে।
  • ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম সঞ্চয় করে এবং প্রয়োজনে রক্তে সরবরাহ করে।
  • বক্ষপিঞ্জর শ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তা করে, মধ্যকর্ণের কর্ণাস্থি শ্রবণে সহায়তা করে।
  • এর রেটিক্যুলো এন্ডোথেলিয়ালতন্ত্র দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতায় অংশ নেয়।
  • এটি দেহকান্ডের সুষ্ঠু সঞ্চালনে মজবুত, নমনীয় অবলম্বন হিসেবে কাজ করে।
  • এটি সুষুম্নাকান্ড ও সুষুম্না স্নায়ুমূলকে বেষ্টন ও রক্ষা করে।
  • এর গঠনে ভার্টিব্রাল ক্যানেল থাকে এবং সেখানেই সুষুম্নাকান্ড ও রক্ত নালিকা সুরক্ষিত থাকে।
  • এটি পর্শুকা সংযোগের ক্ষেত্র সৃষ্টি করে দেহের অক্ষরূপে কাজ করে।
  • এটি দেহের ভঙ্গি দানে ও চলাফেরায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Post a Comment

Previous Post Next Post