রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় যে সব পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ (মূলক) এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ বা বর্জনের মাধ্যমে ঋণাত্মক বা ধনাত্মক চার্জগ্রস্থ হয়, তাকে আয়ন বলে। আয়নসমূহকে সাধারণত সংশ্লিষ্ট মৌলের প্রতীকের ডানপার্শ্বে ও উপরের দিকে ‘+’ বা ‘-’ চিহ্ন লিখে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ : সালফেট আয়ন (SO₄²-), হাইড্রোজেন আয়ন (H+)।


ক্ষারধাতুর যোজনী নির্দিষ্ট কেন?
সকল ক্ষারধাতুর ইলেকট্রন বিন্যাসে সর্ববহিঃস্থ স্তরে মাত্র একটি ইলেকট্রন থাকে। এই একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করলেই কেবল তাদের পক্ষে নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ইলেকট্রন বিন্যাস গঠন করা সম্ভব হয়। অর্থাৎ, একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করার কারণে তাদের একটি মাত্রই যোজনী হয়, যে কারণে ক্ষারধাতুগুলোর যোজনী নির্দিষ্ট এবং 1।

Post a Comment

Previous Post Next Post