এ মহাবিশ্বের যে কোনো দুটি বস্তুকণা পরস্পরকে আকর্ষণ করে। এ আকর্ষণকে মহাকর্ষ বলে। এ আকর্ষণ সম্পর্কে নিউটনের একটি সূত্র আছে, একে নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র বলে।
সূত্র : “মহাবিশ্বের প্রতিটি বস্তুকণা একে অপরকে নিজ দিকে আকর্ষণ করে এবং এই আকর্ষণ বলের মান বস্তু কণাদ্বয়ের ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং এদের মধ্যবর্তী দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক এবং এই বল বস্তু কণাদ্বয়ের সংযোজক সরলরেখা বরাবর ক্রিয়া করে।”

মনে করি, m1 এবং m2 ভরের দুইটি বস্তুকণা পরস্পর r দূরত্বে অবস্থান করছে। এখন নিউটনের সূত্র অনুযায়ী m1 বস্তুটি m2 বস্তুটিকে F1 বল দ্বারা এবং m2 বস্তুটি m1 বস্তুটিকে F2 বল দ্বারা আকর্ষণ করছে। অর্থাৎ F1 = F2। মনে করি, F1 = F2 = F। তাহলে, নিউটনের সূত্র অনুযায়ী,
এখানে G হচ্ছে মহাকর্ষীয় ধ্রুবক। মহকর্ষীয় ধ্রুবককে বিশ্বজনীন ধ্রুবকও বলা হয়ে থাকে। কারণ এই মহাবিশ্বের যেকোন স্থানে এর মান নির্দিষ্ট থাকে এবং স্থান ও সময়ের পরিবর্তনে এর মানের কোন পরিবর্তন ঘটে না। এর মান হচ্ছে,

এখানে যা শিখলাম–
মহাকর্ষ সূত্র কে আবিষ্কার করেন?; মহাকর্ষ সূত্র কাকে বলে?; মহাকর্ষ সূত্রের গাণিতিক রূপ; মহাকর্ষীয় ধ্রুবকের মান কত?

Post a Comment

Previous Post Next Post