আরে ভাই ..... 
শুনেন আসলে দুশ্চিন্তা বলে কয়ে আসে না হুটহাট করে যেকোনো কারণেই দুঃশ্চিন্তা মনে, মাথায় চলে আসতে পারে।
আর এরকম হুটহাট করে যেই দুশ্চিন্তা গুলো আসে সেগুলো কম করে আপনাকে আপনার ঘুম না আসা পর্যন্ত জ্বালাবে।

হুটহাট করে দুশ্চিন্তা অনেক কারণে আসতে পারে।
যেমন ধরুন আপনি ভাবেন যে আপনি একজন মানুষের সবকিছু জানেন!....
 কিন্তু দেখা গেল আপনার জানার বাইরেও  এমন একটা কিছু ঘটলো যা দেখে আপনি রীতিমত একেবারে হতবাক !
আপনি কখনো কল্পনাও করেননি যে  সে এরকম কিছু করতে পারে অথবা আপনার জানার বাইরে এমন কিছু ছিল।

আমার মনে হয় একজন মানুষ কে সম্পূর্ণ ভাবে জানা এত সহজ নয় .....
আমরা যতটা সহজ ভাবছি।...

আমরা একজন মানুষকে পথে-ঘাটে, বাজারে,
 অনলাইনে ফলো করে জানার চেষ্টা করি।
কিন্তু একজন মানুষ পথে-ঘাটে বাজারে আপনার জানার মত এরকম ব্যতিক্রম কিছু করে না-রে ভাই করে না।
 একজন মানুষের জীবনের সবকিছু কি অনলাইনে থাকে? থাকে না....
 অনলাইনে যতটুকু আছে ততটুকু দিয়ে কি একজন মানুষকে বিবেচনা করা যায়? যায় না-রে ভাই যায় না...

 এখনকার মানুষগুলো খুব চতুর তাদের ভিতর বাহির বোঝা বড়ই কঠিন।

তাছাড়া একজন মানুষ এখন আর অনলাইনে একজনের জন্য আসে না,...
 অনলাইনে যখন আসে তখন সে পুরো পৃথিবী তার হাতের মুঠোয় পেয়ে যায়।
অন্য লোকের বদ নজর থেকে তখন তাকে আর কে আটকায়।
সবুজ সিগন্যালে সে হয়ে যায় সবার.... আপনি যতই ভালবাসুন আপনার ভালোবাসা আপনি পর্যন্তই সীমাবদ্ধ, আপনার ভালোবাসা তাকে ছুঁয়-না আপনার মনের মত করে।

 আপনি তাকে যেইভাবে চাইবেন সেই ভাবে আপনি কখনোই পাবেন না তাকে।
সে শুধু চাইবে সবার মাঝে থাকতে !
আপনি তাকে আপনার পছন্দের একজন ভাবলেও সে ভাববে আপনি তার পছন্দের দশজনের একজন।

আবার আপনি সবেই বুঝবেন যে আপনার সাথে যোগাযোগ স্থাপনের সাথে সাথে অনলাইনে থেকে অন্যের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতেছে কিন্তু কিছু বলতে পারবেন না। 
আবার আপনার মন খারাপও হতে পারে।
কিন্তু মন খারাপ করে কোন লাভ নেই! লাভ কারো হয়নি আপনার হবে না।

আবার ধরুন আপনি কাউকে অনলাইনে ফলো করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন...
যেমন:-  সে কখন অনলাইনে আসছে, কখন অনলাইন থেকে গেল, কতক্ষণ থাকলো....
এমত অবস্থায় কোন একদিন আপনি দেখে বসলেন  দিনের বেশিরভাগ সময়  সে অনলাইনে আছে কিন্তু আপনাকে একটাও মেসেজ করতেছে না।
তখনই যাবে আপনার মাথাটা গরম হয়ে আর হুটহাট করে টেনশন চলে আসবে।
এতে করে যদি সে আপনাকে পরবর্তী কথার সময় তার অনেক সময় ধরে অনলাইনে থাকার কোন রকম কারণ ব্যাখ্যা না দেয় তাহলেই তো  আপনার চিন্তা-টেনশন আরো বেড়ে যাবে দেখা গেল সেদিন আপনি না খেয়ে থাকলেন...
আবার রাতে ঘুম আসে না আসে না ...
না খেয়ে ঘুমিয়ে গেলেন এমন হতে পারে।

আবার অনেকেই মনে করে
তার ভালোবাসার মানুষটি খুব ভালো তার মত মানুষ সে আর কোথাও পাবেন না। 
আবার তারে ছাড়া থাকতে পারবেনা ‌! সে পরকীয়া প্রেম করলেও তাকেই প্রয়োজন! 
তাকে পাওয়ার জন্য টেনশনে বিভোর হয়ে থাকে সারাক্ষণ।

আরে ভাই এমন আমিও অনেক টেনশন করছি এসব টেনশন বাদ দিয়া আমার মত সময় মতন ঘুমান.....
আর দিনে কাজের ফাঁকে ফাঁকে মনে মনে ভাবুন তার চেয়ে ভালো মানুষ কোথায় পাওয়া যায়.....
পরকীয়া প্রেম করা মানুষগুলো কে বাদ দিন দেখতে-শুনতে ভালোও হলো বাদ দিন....

একা থাকলেও পরকীয়া প্রেম করে এরকম কারো সাথে জড়াবেন না।
আপনাকে এককভাবে কেউ ভালো না বাসলে নিজেকে নিজে ভালবাসুন......

Post a Comment

Previous Post Next Post